মন্ত্রী বলেন, ‘মাত্র তিন দিনের মধ্যে আড়াই কোটি মানুষ ও কোরবানিযোগ্য পশুকে পরিবহন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের অবকাঠামো ও পরিবহন নিয়ে একটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। যে কারণে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও আরামদায়ক করা কষ্টকর হয়ে যায়। আমি মনে করি, সবার সহযোগিতা থাকলে, জনগণ সচেতন থাকলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারের ঈদযাত্রা স্বস্তির হবে বলে নিশ্চিত করতে পারবো।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর আমাদের দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় সাড়ে ৪ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। এটা আমাদের রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। আমরা এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। কিন্তু এটা পারতে হবে। সেজন্যই সরকার এবং দায়িত্ব পালনের চেষ্টা। গত ঈদে কুমিল্লায় বড় দুর্ঘটনায় ১২ জন মারা গেছে। আমি তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি।’
আরও পড়ুন:
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ৪ লেনের মহাসড়কে যে পরিমাণ গাড়ির চাপ তা ১০ লেন হওয়া বাঞ্ছনীয়। সে লক্ষে কাজ হচ্ছে। মহাসড়ক বিভাগের মহাপরিকল্পনায় এটিকে ৮ লেন সড়ক ও ২ লেন সার্ভিস লেনে রূপান্তর করা হবে। প্রায় ৪০০ কিলোমিটার মহাসড়কটি ২০৩১ সালের মধ্যে করতে চাই।’
এদিন সকালে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮৬ জন এবং ৩৩ জন আহতের পরিবারকে ৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেয়া হয়।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বক্তব্য রাখবেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও কুমিল্লা ৬ আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জনাব হাবিবুর রশিদ (এমপি), কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মো. জিয়াউল হক, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
