বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মানুষ আত্মশুদ্ধির সুযোগ পায় এবং অন্যায় ও পাপাচার থেকে দূরে থেকে উত্তম চরিত্র গঠনে উদ্বুদ্ধ হয়। এই শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
তিনি আরও বলেন, ঈদের দিন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। এতে সমাজে সাম্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার হয়, যা শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আরও পড়ুন
রাষ্ট্রপতি একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ন্যায়ভিত্তিক, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর দেশ গড়ার অভিযাত্রায় ঈদের শিক্ষা নতুন প্রেরণা যোগাবে।
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে তিনি সমাজের বিত্তবানদের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
বাণীর শেষে রাষ্ট্রপতি মহান আল্লাহর কাছে দেশ, মুসলিম উম্মাহ এবং বিশ্বের সকল মানুষের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ঈদের আনন্দে সবার জীবন ভরে উঠবে।





