সভায় রাজধানীর বিভিন্ন ব্যাংক, শপিং মল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদার, বাজারে ভেজাল খাদ্যদ্রব্য প্রতিরোধ এবং নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি রমজানে ইফতারের সময় তীব্র যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও সমন্বিত করার বিষয়ে দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, ‘ইফতারের সময় নগরবাসী যাতে নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সে জন্য ট্রাফিক ও ক্রাইম বিভাগের সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। অনেক সদস্য সড়কেই ইফতার করছেন, যাতে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকে।’
আরও পড়ুন:
তিনি জানান, ফুটপাত ও সড়কের অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চলছে। বাস চলাচলের সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা প্রবেশ রোধে ট্রাফিক পুলিশ বিশেষ তৎপর রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক অপরাধ প্রতিরোধেও ডিএমপির সংশ্লিষ্ট ইউনিট কাজ করছে। সবার সহযোগিতায় রমজান শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম পিপিএম বলেন, ‘রমজানের ১৩ দিন অতিক্রান্ত হলেও রাজধানীতে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বাকি দিনগুলোও শান্তিপূর্ণভাবে কাটলে ঈদ উৎসব সুন্দরভাবে উদযাপন সম্ভব হবে।’
আরও পড়ুন:
তিনি ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে দোকান ও মার্কেটে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের আহ্বান জানান। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা ও জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগের অনুরোধ জানান। রমজানে নগদ অর্থ ও মূল্যবান দ্রব্য পরিবহনে ডিএমপির এস্কর্ট সেবা নেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।





