এসময়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রায় দীর্ঘ দেড় যুগ পর একটি স্বচ্ছ নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক সরকার গঠিত হয়েছে। তাই আমাদের নিকট জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সে প্রত্যাশা পূরণে আমরা দ্রুত আমাদের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে যে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী গণতান্ত্রিক সংস্কার করতে চাই, প্রথমে তার অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে।’
জনগণের আস্থা অর্জনের প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর পুনর্গঠন ও নৈতিকতা উন্নতকরণের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ প্রদান করতে হবে। এখানে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে বাজেট মঞ্জুরের বিষয়ও রয়েছে। নতুন জনবল নিয়োগের মাধ্যমে এবং সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় আমরা লক্ষ্য অর্জন করতে চাই।’
আরও পড়ুন:
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যুগোপযোগী উন্নয়নে আমাদের একটি সঠিক পরিকল্পনা দরকার।’
মন্ত্রী এসময় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের পরামর্শ ও সুপারিশমালা তৈরির নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘এর মাধ্যমে আমরা যে সংস্কার করতে চাই, তার অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে।’
সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. দেলোয়ার হোসেন, আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএমসহ বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার প্রধান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট অণুবিভাগের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।





