জামানত হারানোর নিয়ম (Rules of Forfeiture)
নির্বাচন কমিশনের বিধি (Election Commission Rules) অনুযায়ী, কোনো আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ (১২.৫%) ভোট পেতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। এবারের নির্বাচনে এই বিধি অনুযায়ী অনেক পরিচিত মুখ এবং হেভিওয়েট প্রার্থী (Heavyweight Candidates) তাদের জামানত খুইয়েছেন।
আরও পড়ুন:
তালিকায় কারা আছেন?
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, জামানত হারানো প্রার্থীদের তালিকায় যেমন রয়েছেন ছোট ও নামসর্বস্ব রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা, তেমনি রয়েছেন অনেক হেভিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী (Independent Candidates) এবং সাবেক সংসদ সদস্য (Former Members of Parliament)। ভোটারদের মন জয়ে ব্যর্থ হয়ে এই প্রার্থীরা ন্যূনতম ১২.৫ শতাংশ ভোট সংগ্রহ করতে পারেননি।
জেলা ভিত্তিক খণ্ডচিত্র
এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন জেলায় জামানত হারানোর হিড়িক পড়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি চিত্র হলো:
কুমিল্লা ও নওগাঁ: এই দুই জেলায় বেশ কয়েকজন পরিচিত রাজনৈতিক নেতা কাঙ্ক্ষিত ভোট পাননি।
হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জ: এই আসনগুলোতে হেভিওয়েটদের পাশাপাশি অনেক নতুন মুখও জামানত হারিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
পূর্ণাঙ্গ তালিকার অপেক্ষা
উল্লেখ্য যে, উপরে বর্ণিত তথ্যগুলো কেবলমাত্র কুমিল্লা, নওগাঁ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জসহ নির্দিষ্ট কিছু জেলার আংশিক চিত্র। সারা দেশের ৩০০ আসনের (300 Constituencies) পূর্ণাঙ্গ ফলাফল এবং সকল জামানত হারানো প্রার্থীর বিস্তারিত তালিকা এখনো প্রক্রিয়াধীন। নির্বাচন কমিশনের (EC Bangladesh) আনুষ্ঠানিক পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই তালিকার প্রকৃত বিশালতা জানা যাবে।
চূড়ান্ত তালিকা এবং এ সংক্রান্ত আরও আপডেট জানতে আমাদের পরবর্তী প্রতিবেদনগুলোতে চোখ রাখুন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন – ২০২৬ লাইভ আপডেট দেখতে ,ক্লিক করুন।
আরও পড়ুন:




