আজ (শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানান তিনি। এরপর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ কথা জানান।
মামুনুল হকের অভিযোগ ঢাকা-১৩ আসনে ফলের ব্যবধান ২ হাজারের মতো হলেও ভোটের ব্যালটে প্রতীকগুলো পাশাপাশি হওয়ায় ৪ হাজারের বেশি ভোট বাতিল হয়। অনেক কেন্দ্রে রেজাল্ট শিটে পোলিং এজেন্টের সাক্ষর নেয়া হয়নি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারসহ কারচুপির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
এসময় তিনি বলেন, ‘বেশকিছু কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছিল। অনেক রেজাল্ট শিটে পোলিং এজেন্টের সাক্ষর না নিয়েই বের করে দেয়া হয়। আর প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থীদের ভোট গণনার সময় অন্য এজেন্ট দেয়া হয়। কিছু কিছু জায়গায় পোলিং এজেন্ট থেকে সাক্ষর নেয়া হলেও পরে তা আবার কাটছাঁট করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকা-১৩ আসনের ভোট ব্যালটে ৯ প্রার্থীর প্রতীক আলাদা কলামে থাকলেও পাশাপাশি হওয়ায় ভোটার বিভ্রান্ত হয়েছে। তাই একই সঙ্গে ৪ হাজারের বেশি ভোট বাতিল হয়েছে।’
ভোটের ব্যবধান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সবকিছু বিবেচনায় নিলে আমার ধারণা অন্তত ৫ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধান হবে।’ অভিযোগ আমলে না নিলে সেক্ষেত্রে রাজপথ এবং আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে জানান তিনি।





