বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা জেমস স্টুয়ার্ট ও শেন স্যান্ডার্স।
ব্রিফিংয়ে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র গভীর আগ্রহের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। ভোট আয়োজন ও প্রস্তুতি নিয়ে সিইসির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।’ তিনি জানান, সিইসির মতো তিনিও একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী।
নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার যেই গঠন করুক—যুক্তরাষ্ট্র তাদের সঙ্গেই কাজ করবে বলেও জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ‘বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নির্বাচন ঘিরে সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। বিশেষ করে পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থা নিয়ে তার আগ্রহ ছিলো বেশি। এ বিষয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রদূত এটিকে একটি জটিল ও শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করেন।’
আখতার আহমেদ আরও জানান, ভোটের আচরণবিধি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং ভোটারদের যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়েও মার্কিন প্রতিনিধিদল প্রশ্ন করেছে।
এসময় তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় নিজেদের মতো করে অনানুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন। তবে তারা নির্বাচন কমিশনের তালিকাভুক্ত পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন না। পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতা ও মূল্যায়ন পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে রিপোর্ট আকারে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান তিনি।





