প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, সাংবাদিকদের ওনার অ্যাসোসিয়েশন নোয়াব (নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) অনেক বড় বড় কথা বলে, একটা সাংবাদিকদের ইকুইপমেন্ট তারা দেয় না। জুলাই অভ্যুত্থানে যে ছয়জন সাংবাদিক মারা গেছেন, তাদের সঙ্গে সুরক্ষা সামগ্রী হিসেবে সামান্য হেলমেটও ছিল না।
শফিকুল আলম বলেন, কিছুদিন আগে তারা অনেক বড় সম্মেলন করলেন, সাংবাদিকদের কোনো ইকুইপমেন্ট কথা বলেছেন কেউ? এডিটর কাউন্সিল (সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ) অনেক বড় বড় কথা বলে, এ বিষয়গুলো নিয়ে কোনো কথা বলেছে? আমার জানা নেই। কতজন সাংবাদিক মারা গেলো, সেটা নিয়েও একটা স্টেটমেন্ট দিয়েছে? আমি দেখিনি।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যারা আপনার প্রতিষ্ঠানের মালিক, যারা অ্যাসাইনমেন্ট কাভার করতে পাঠাচ্ছে, তাদের অনেক দায়িত্ব আছে। সে দায়িত্ব তারা কতটুকু পালন করছে সেই বিষয়ে আপনারা সোচ্চার হবেন।
আরও পড়ুন:
শফিকুল আলম আরও বলেন, সাংবাদিকরা অনেক ক্ষেত্রে সরকারের অনেক বেশি সমালোচনা করে। কিন্তু এতে যারা প্রকৃত দায়ী তাদের কথা ভুলে যায়। অন্যদের ব্যর্থতার কথাও বলা উচিত।
তিনি আরও বলেন, আমরা সাংবাদিকদের মধ্যে সার্বজনীন ঐক্যের কথা বলি। তবে সেটা শুধু সুবিধাবাদীদের জন্য হোক সেটা কাম্য নয়। সবার মধ্যে সেটা দরকার। একটি গ্রুপ নিজেরা ঐক্য তৈরি করবে, কিন্তু অন্য গ্রুপের এডিটরকে টেনে-হেঁচড়ে আনবে, কিন্তু তখন কিছু বলব না, সেটা হবে না।
প্রেস সচিব বলেন, এই অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমরা চেষ্টা করেছি আপনারা কতটা প্রাণ খুলে ফ্রি জার্নালিজম করেছেন, সেটা চিন্তা করুন। এ সময় আপনারা ফ্রি ভাবে সমালোচনা করতে পেরেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে সাংবাদিকতার কোনো গাইডবুক নেই। কোনো সেন্সিটিভ বিষয়ে যে ঝুঁকি, সেটি কীভাবে মোকাবিলা হবে; সেটা বলা হয় না।
অনুষ্ঠানে ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ সভাপতিত্ব করেন। ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ অনুষ্ঠানে সরকারের সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, সাংবাদিক সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, গণমাধ্যম পেশাজীবী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশগ্রহণ করেন।





