এতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঐতিহাসিক ৬ দফা আন্দোলন, পরবর্তীকালে ১১দফা ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি মহান স্বাধীনতা।’
তিনি বলেন, ‘তৎকালীন স্বৈরাচারী অপশাসন ও দমন পীড়ন থেকে মুক্তির দাবিতে ১৯৬৯ সালের পুরো জানুয়ারি মাস ছিল আন্দোলনে উত্তাল। ছাত্র-জনতা সহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি সে আন্দোলন রূপ নেয় এক ব্যাপক গণবিস্ফোরণে।’
সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন পীড়নের প্রতিবাদে সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে শহিদ হন ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান মল্লিক।
গুলিতে শহিদ হন মকবুল, আনোয়ার, রুস্তম, মিলন, আলমগীরসহ আরো অনেকে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁদের এ আত্মত্যাগ এদেশের তরুণ সমাজকে যুগিয়েছে অফুরন্ত সাহস ও অনুপ্রেরণা।
তিনি আরও বলেন, স্মৃতিবিজড়িত এদিনে আমি গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। আসুন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে সবাই মিলে একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে আত্মনিয়োগ করি। প্রধান উপদেষ্টা দেশের মুক্তি সংগ্রামের সকল শহিদের রূহের মাগফেরাত কামনা করেন।—বাসস





