বিজয় দিবসে একসঙ্গে সর্বাধিক পতাকা উড়িয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

৫৪ জন প্যারাট্রুপার
৫৪ জন প্যারাট্রুপার | ছবি: প্রধান উপদেষ্টার ফেসবুক পেজ
0

বিজয় দিবসে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নতুন এক গৌরবময় অর্জন যুক্ত করেছে বাংলাদেশ। ঢাকায় আয়োজিত একটি বিশেষ প্যারাশুট জাম্পে একসঙ্গে সর্বাধিক ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে এ বিশ্বরেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশ। আজ (মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি) ‘টিম বাংলাদেশ’কে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ম্যানেজমেন্ট টিম।

আজ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রশিক্ষিত স্কাইডাইভারদের অংশগ্রহণে এ ব্যতিক্রমী প্যারাশুট জাম্প পরিচালিত হয়। এতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ডের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ একদল দক্ষ প্যারাট্রুপার আকাশে ভেসে তুলে ধরেন লাল–সবুজের ৫৪টি জাতীয় পতাকা। পুরো আয়োজনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন (এএফডি)।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ এ অর্জনকে ‘মোস্ট ফ্ল্যাগস ফ্লোউন সিমালটানিয়াসলি হোয়াইল স্কাইডাইভিং’ শিরোনামে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে টিম বাংলাদেশ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিসিয়াল টাইটেল হোল্ডার হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের রেকর্ডস ম্যানেজমেন্ট টিম জানিয়েছে, বাংলাদেশের ৫৪তম বিজয় দিবসকে আন্তর্জাতিক পরিসরে স্মরণীয় করে তোলাই ছিল এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্কাইডাইভারদের একত্রিত করে জাতীয় ঐক্য, সাহস ও সক্ষমতার বার্তা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

আইএসপিআর বলছে, এ বিশ্বরেকর্ড শুধু একটি সংখ্যাগত অর্জন নয়; এটি বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা এবং সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল প্রমাণ। লাল–সবুজের এ গর্বিত মুহূর্ত দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

মহান বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে অংশ নেন চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, মো. নান্নু মিয়া, মো. মাহমুদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শিহাব শেখ, মো. আরিফুর রহমান, ফরহাদ আহমেদ, মো. নজরুল ইসলাম, মো. কামরুল হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. আশিকুল ইসলাম, মো. সিরাজুল হক, মোহাম্মদ আলমগীর কবির, মো. রমজান আলী, মো. মনোয়ার হোসেন, মো. শরীফ আহমেদ, বশির আহমেদ, মো. মাহমুদুল হাসান, রাকিবুল ইসলাম, মো. আবু সায়েম, মো. আবু হাসান চৌধুরী, ওমর ফারুক, মনিরুল ইসলাম, সৌরভ আকন্দ রাসেল, মো. মনিরুজ্জামান, এস. এম. রাজিবুল ইসলাম, মো. নুরুল হাসিব, মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, আব্দুল আলিম, আরাফাত রহমান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. রুবেল হক, মো. সলীম আলী, মো. মহসিন, মো. বিন ইবনুল ইসলাম, এস. এম. এলমা আজম, মঈনুল ইসলাম, মো. তানভীর হোসেন হিমেল, মো. সরোয়ার আলম খান, মিলন চন্দ্র বর্মণ, এস. কে. মো. নাসিম উদ্দিন, মো. সাকিম মাহমুদ, মো. তাইফুর রহমান, মুহাম্মদ রাসেল মাহমুদ, ইমরান আল জিহাদ, মো. মাহেদী হাসান, মো. আশিকুর রহমান, মো. শাহজাহান আলী, আলমগীর হোসেন, মো. জাকির মিয়া, রুবেল মিনিস, মো. নাসির উদ্দিন, মো. তৌফিকুর রহমান চাকলাদার।

ইএ