গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিকেলে কার্যালয়ে আসেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তারেক রহমানের সাথে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেন তিনি। দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় উঠে আসে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন প্রসঙ্গ।
বৈঠক শেষে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে চীনের কোনো উদ্বেগ নেই। বেইজিং স্পষ্ট করেছে, তারা যেকোনো দেশের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপে আগ্রহী নয়।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির বলেন, ‘একটা দেশের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন নিয়ে তাদের কোনো উদ্বেগ নেই। এটা বাংলাদেশের মানুষের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তারা বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।’
এরপরই তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেন ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান। বৈঠক শেষে তিনি জানান, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীরা একতাবদ্ধ থাকবে।
আরও পড়ুন:
ঝিনাইদহ ৪ এর বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, ‘অতীতে যেভাবে আমরা আপনার সঙ্গে থেকে লড়াই করেছি, ভবিষ্যতেও আপনার সঙ্গে থেকে বিএনপিকে আনা, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।’
তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করেন গণ-অধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নূর। বৈঠকে জোটের শরিকদের ছেড়ে দেয়া আসনগুলোতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের বহিষ্কার না করার আহ্বান জানান তিনি।
গণ-অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বলেন, ‘১৭ বছর তারা ভোটে অংশ নিতে পারে নাই। বহিষ্কার করলে তো তারা আরও ডেসপারেট হয়ে যাবে। দলের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সে জায়গা থেকে আমরা আমাদের পরামর্শ দিয়েছি বহিষ্কার না করে বরং যাদের করা হয়েছে তাদের ডেকে যদি কথা বলে সেটা পার্টির জন্য ভালো।’
এর আগে, গুলশান থানার নেতাকর্মীদের সাথে বৈঠক করেন তারেক রহমান। প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠকে ঢাকা-১৭ আসনের সামাজিক নিরাপত্তাসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।





