আজ (মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ ডক্টর এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের নিয়োজিত আইনজীবী নুরুল কবীর রুবেল এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বান্ধবীর সঙ্গে ঝগড়া করার পর বান্ধবী সুমাইয়ার বাবা আয়নুল হক তানিয়াকে গালে চড় দেন। মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে তাদের মধ্যে বিরোধ হয়।
দুজনই কলমাকান্দা উপজেলার কনুড়া গ্রামের বাসিন্দা। পরে এই চড়ের প্রতিশোধ নিতে তানিয়া তার বান্ধবীর ছোট ভাই শিশু সাইফ খান সালমানকে (৬) নৌকায় চড়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ির পিছনে লিলুয়ার বিলে নিয়ে পানিতে ফেলে দেয়।
আরও পড়ুন:
২০২১ সালের ২৫ আগস্ট আয়নুল তার শিশুকে খুঁজে না পেলে আশপাশের মানুষ পরদিন সকাল থেকে খুঁজতে শুরু করে। পরদিন ২৬ তারিখ প্রতিবেশী খুরশেদ মিয়ার মাছ ধরার জালে শিশুটি ওঠে আসলে গ্রামবাসী তানিয়াকে ধরে ফেলে। গ্রামবাসীর অনেকেই আগের দিন বিকালে শিশুটিকে তানিয়ার সঙ্গে দেখেছিলো।
এরপর এ চাঞ্চল্যকর ঘটনায় শিশুর বাবা তানিয়াকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। এদিকে স্থানীয়রা আসামিকে আটকের পরই পুলিশে সোপর্দ করে। পরে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তানিয়া দোষ স্বীকারও করেন।
পরবর্তীতে শিশু আসামি হওয়ায় আদালত জামিন দেয়। কিন্তু জামিন পেয়েই আসামি পালিয়ে যায়। এদিকে, পরের বছর ২৩ মার্চ পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত চার্জশিট দাখিল করলে মামলার পর্যালোচনা শেষে মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে আদালত এই রায় দেন। এতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।





