নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল | ছবি: বাসস
1

চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

আজ (রোববার, ১৮ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) শুনানি শেষে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন।

আদালত এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তারা হলেন; নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।

আরও পড়ুন:

অন্যদিকে, নানক-তাপসসহ পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আজ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারী করা হয়েছে এবং আগামী ২৯ জানুয়ারি তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পলাতক আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন; ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

শুনানি শেষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে মোহাম্মদপুরে মাহমুদুর রহমান সৈকত ও ফারহান ফাইয়াজসহ নয়জন শহিদ হন। যার পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ ভিডিওসহ আমাদের হাতে রয়েছে। একইসঙ্গে এ মামলায় ৫০ জন সাক্ষী রয়েছেন।’

আজ প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এসময় অন্য প্রসিকিউটররাও উপস্থিত ছিলেন।

এফএস