আজ (রোববার, ১৮ জানুয়ারি) প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) শুনানি শেষে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন।
আদালত এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া চারজনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তারা হলেন; নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, নানক-তাপসসহ পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে আজ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারী করা হয়েছে এবং আগামী ২৯ জানুয়ারি তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
পলাতক আসামিদের মধ্যে আরও রয়েছেন; ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
শুনানি শেষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এতে মোহাম্মদপুরে মাহমুদুর রহমান সৈকত ও ফারহান ফাইয়াজসহ নয়জন শহিদ হন। যার পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ ভিডিওসহ আমাদের হাতে রয়েছে। একইসঙ্গে এ মামলায় ৫০ জন সাক্ষী রয়েছেন।’
আজ প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এসময় অন্য প্রসিকিউটররাও উপস্থিত ছিলেন।





