স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, বাতিল হওয়া ভিসার একটি বড় অংশই ছিল পর্যটক এবং ব্যবসায়ী যারা তাদের ভিসার মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেছিলেন। তবে শুধু পর্যটক নয়, প্রায় আট হাজার শিক্ষার্থী এবং দুই হাজার ৫০০ বিশেষায়িত কর্মীও তাদের আইনি মর্যাদা হারিয়েছেন। যাদের ভিসা বাতিল হয়েছে, তাদের অনেকের বিরুদ্ধেই মার্কিন আইন অনুযায়ী বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
বিশেষায়িত কর্মীদের ক্ষেত্রে ভিসা বাতিলের প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, মারামারি এবং চুরির মতো অপরাধ। অন্যদিকে মাদক ব্যবসা এবং শিশু নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগে অনেক শিক্ষার্থী ও বিদেশি কর্মী তাদের ভিসা হারিয়েছেন। স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র জানিয়েছেন, জননিরাপত্তা বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এমন কাউকেই যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে দেয়া হবে না।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি বৈধ ভিসাধারী বিদেশি নাগরিকের তথ্য পুনরায় যাচাই করার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। এ বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনার জন্য একটি নতুন ‘কন্টিনিউয়াস ভেটিং সেন্টার’ তৈরি করা হয়েছে, যা সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ যাচাইকরণ প্রক্রিয়া একটি চলমান পদ্ধতি হিসেবে অব্যাহত থাকবে।
নতুন ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু কঠিন শর্ত। এখন থেকে আবেদনকারীর আর্থিক অবস্থা ও ইংরেজি দক্ষতার পাশাপাশি তার স্বাস্থ্যগত অবস্থাও কঠোরভাবে যাচাই করা হচ্ছে। ‘পাবলিক চার্জ’ নিয়মের আওতায় যদি মনে হয় কোনো ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধার ওপর বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারেন, তবে তাকে ভিসা দেয়া হচ্ছে না। এমনকি বয়স্ক বা শারীরিক অসুস্থতা থাকলেও বর্তমানে ভিসা প্রাপ্তি আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে।





