অবিশ্বাস্য, অলৌকিক সব বিশেষণই যেন হার মানে সুড়ঙ্গের অন্ধকার আর কাদাপানির সঙ্গে নয় দিনের লড়াই শেষে সঞ্জয় শাহ আর কবির মাহজানের বেঁচে ফেরার গল্পের কাছে।
জীবিত উদ্ধারের পর হাসপাতালে নেয়ার পথে সুড়ঙ্গের অনিশ্চিত দিনগুলোর গল্প শোনান সঞ্জয় শাহ। জানান, দুর্যোগের সময় অন্যদের পালিয়ে যেতে বললেও, বন্যার স্রোতে পালাতে পারেননি নিজেই। সুড়ঙ্গের ভেতর এখনও কয়েকজন আছেন বলেও উদ্ধারকারী দলকে জানান তিনি।
সঞ্জয় শাহ বলেন, ‘আমাদের কাছাকাছি থাকা তিন-চারজনের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের কথা ও শোনা যাওয়া শোরগোল-হট্টগোল থেকে মনে হচ্ছে, কিছু লোক হয়তো পালাতে পারেনি। তারা সুড়ঙ্গের গভীরে চলে গেছে।’
আরও পড়ুন:
এদিকে প্রিয়জনের খোঁজ না পেয়ে যখন প্রতীকী শেষকৃত্যের আয়োজনে ব্যস্ত অনেক স্বজন সেখানে উদ্ধারকারী দলের অভিযান আর বিধাতার মিরাকলের অপেক্ষায় ছিলেন সঞ্জয় ও কবিরের পরিবার। তাইতো প্রিয়জনের সন্ধান পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসি ফুটছে দুই পরিবারের সদস্যদের মুখে।
জীবিত উদ্ধার সঞ্জয় শাহর স্বজন দেব কুমার শাহ বলেন, ‘আমরাও আশাবাদী ছিলাম তারা ফিরবে। আশা করছি, উদ্ধারকারী দল আরও অনেকের সন্ধান পাবে।’
জীবিত উদ্ধার কবির মাহজানের স্ত্রী হীরা শোভা বলেন, ‘তিনি আমাকে চিনতে পেরেছেন। তার পায়ে আঘাত লেগেছে। খুব বেশি কথা বলতে পারছে না।’
এদিকে দু’জনের জীবিত উদ্ধারে গতি বেড়েছে উদ্ধার অভিযানে। গার্ডিয়ানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নেপাল বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, রাসুয়াগাড়ি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ভূগর্ভে খাবার ও পানি থাকায় এখনও প্রায় অর্ধশত শ্রমিকের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা আছে।
নজিরবিহীন বন্যা- ভূমিধসে বিধ্বস্ত নুয়াকোটে শিশুদের জন্য অস্থায়ী শিক্ষা কেন্দ্র খুলেছে আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন। পড়ার ও খেলার মাধ্যমে শিশুদের মন থেকে হড়কা বানের গভীর ক্ষত কাটানোর চেষ্টা করছে সংস্থাটির কর্মীরা।




