রোম, মিলান ও তুরিনসহ দেশের বড় শহরগুলোতে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। রোমে প্রধান রেলস্টেশন থেকে শুরু হওয়া মিছিল ঐতিহ্যবাহী কোলসিয়াম ও অর্থ মন্ত্রণালয় ভবন অতিক্রম করে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি সম্প্রতি জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং সামরিক খাতে বাজেট বাড়ানোর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধর্মঘটে যোগ দেন ট্রাকচালক, ট্যাক্সিচালক ও কৃষকরাও।
শিক্ষার্থীরা জানান, বাসস্থানের অতিরিক্ত ভাড়া এবং পড়াশোনা শেষের অনিশ্চয়তা তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। রোমে এক কক্ষের মাসিক ভাড়া ১ হাজার ২০০ ইউরো পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা তাদের পরিবারগুলোর জন্য বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিক্ষোভের বেশিরভাগ অংশ শান্তিপূর্ণ হলেও তুরিনে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান ব্যবহার করে।
উদ্ব উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি পরিচালিত সরকার জনসমাবেশ সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করেছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবহনকর্মী ও কৃষকদের জন্য ১৭ কোটি ৫২ লাখ ইউরোর সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বাজেটে তরুণ কর্মীদের জন্য বার্ষিক ২ হাজার ৫০০ ইউরো বোনাসের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।





