দিল্লির জাফরপুর কালান থানা থেকে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালকে মুক্তি দেয়া হয়। এছাড়া অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাসহ নারী আন্দোলনকারীদের ময়দান গড়ি থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্বারকা ও বাওয়ানার রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে স্থাপিত অস্থায়ী বন্দিশিবির থেকেও আটক বিক্ষোভকারীদের ধাপে ধাপে মুক্তি দিতে শুরু করেছে পুলিশ।
মুক্তি পাওয়ার পর আটকের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের এই পদক্ষেপকে ‘অপহরণের মতো’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে দাগি অপরাধীদের মতো আচরণ করা হয়েছে। জোর করে প্রিজন ভ্যানে তুলে দুই ঘণ্টা ধরে এক থানা থেকে অন্য থানায় ঘুরিয়েছে পুলিশ। প্রতিটি থানা থেকে বলা হচ্ছিল ভেতরে কোনো জায়গা নেই। পুরো ঘটনায় মনে হচ্ছিল আমাদের যেন অপহরণ করা হয়েছে।’ ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক না হলে আগামী সোমবার ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সুপ্রিম কোর্টমুখী পদযাত্রায় অংশ নেয়ারও ঘোষণা দেন তিনি।
এদিকে বিরোধী নেতাকর্মীদের ধরপাকড় ও হেনস্তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ভারতীয় লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি অভিযোগ করেন, পুরো দিল্লি অবরুদ্ধ করে দিয়ে শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি দমনপীড়ন চালানো হয়েছে।
দিনভর চলা এই বিক্ষোভের সময় বেশ কয়েকটি স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ ও পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে বিশেষায়িত নারী দল পিঙ্ক ফোর্সের এক সদস্যসহ দিল্লি পুলিশের ছয় সদস্য আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
—ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে অবলম্বনে





