জার্মান সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মের্ৎস কিয়েভ সফরে ১০০ কোটি ইউরো (১ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার) মূল্যের সামরিক সহায়তা এবং ইউক্রেনের ক্ষতিগ্রস্ত জ্বালানি অবকাঠামো মেরামতের জন্য সাড়ে ৩৫ কোটি ইউরো সহায়তার প্যাকেজ ঘোষণা করবেন। এছাড়া যৌথভাবে বিভিন্ন ধরনের ড্রোন উৎপাদনের চুক্তিও চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।
ফ্রিডরিখ মের্ৎস বলেন, ‘আমি আজ কিয়েভে এসেছি কারণ আগামী সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেনের জন্য আমাদের সব ধরনের সমর্থন প্রয়োজন। রাশিয়াকে এখনই থামানো না গেলে তাদের এই যুদ্ধযন্ত্র একসময় আমাদের বিরুদ্ধেও চলে আসবে।’ জেলেনস্কির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনি আমাদের সহায়তার ওপর আস্থা রাখতে পারেন।’
রোববার সকালে কিয়েভে চারবার বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠে এবং পুরো শহরজুড়ে বিস্ফোরণ ও আকাশপ্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয় হওয়ার শব্দ শোনা যায়। কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো টেলিগ্রামে জানান, রাশিয়ার হামলায় নিপ্রো নদীর ওপর অবস্থিত নর্দান ব্রিজের সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আশপাশের এলাকায় পানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।
জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে দেশটির অর্থনীতিবিষয়ক মন্ত্রী কাথেরিনা রাইশে এবং সিমেন্স এনার্জি, ডিয়েল ডিফেন্স ও কোয়ান্টাম সিস্টেমসের মতো শীর্ষ প্রতিরক্ষা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের একটি প্রতিনিধিদল কিয়েভ সফরে এসেছে। সফরের অংশ হিসেবে দুর্নীতি দমনসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর প্রস্তাবিত বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার বিষয়েও জোর দেবেন মের্ৎস।
উভয় দেশের মধ্যকার যৌথ চুক্তিতে ১ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে, যা দিয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো সম্ভব হবে। এদিকে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, বেসামরিক অবকাঠামোয় মস্কোর হামলার জবাবে ইউক্রেনীয় বাহিনীও রাশিয়ার ভেতরের তেল শোধনাগারগুলোতে পাল্টা আক্রমণ আরও জোরদার করবে।





