আজ (মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর) দেশটির ইমিগ্রেশন ও সংশোধন মন্ত্রণালয়ের ইন্সপেক্টর জেনারেল রুদি সেতিয়াওয়ান এই বরখাস্তের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘ন্যায়পালের (ওমবাডসম্যান) উন্মোচন করা এ ঘটনার জন্য দায়ী সন্দেহে সিবিনং কারাগারের প্রধানসহ পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’ ঘটনার তদন্তে কয়েক ডজন বন্দী ও কারা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার ন্যায়পালের আকস্মিক অভিযানে কারাগারের সাধারণ সেলব্লক থেকে দূরে ১০টিরও বেশি বিলাসবহুল ইউনিটের সন্ধান মেলে। তদন্তকারীরা জানান, এসব কক্ষে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, বড় পর্দার টেলিভিশন, রেফ্রিজারেটর, সোফা ও খাবার জায়গা ছিল। এমনকি সেখানে একটি জিম, নির্মাণাধীন গলফ সিমুলেটার এবং বিলাসবহুল গাড়িরও দেখা মিলেছে।
ন্যায়পালের সদস্য সাফরিদা রাচমাওয়াতি রাসাহান এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা আবাসিক কম্পাউন্ডের ভেতরে বন্দীদের পেয়েছি। স্থাপনাগুলো দেখতে কারাগারের ঘরের বদলে হোমস্টে, অ্যাপার্টমেন্ট বা ভিলার মতো মনে হয়েছে।’ ভবনগুলো মূলত কারা কর্মকর্তাদের সরকারি আবাসনের জন্য তৈরি করা হলেও কীভাবে তা বন্দীদের অননুমোদিত বিলাসী আবাসনে পরিণত হলো, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
৪ হেক্টর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত সিবিনং কারাগারে দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিতসহ বেশ কিছু আলোচিত বন্দী রয়েছেন। ঘুষের বিনিময়ে ধনী ও প্রভাবশালী বন্দীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ ইন্দোনেশিয়ার কারা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের। এই ঘটনায় কারা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে সুবিধা দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে জড়িত বন্দীদের পরিচয় প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন দেশটির আইনপ্রণেতা ও দুর্নীতিবিরোধী সংগঠনের কর্মীরা।





