প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরানের প্রস্তাবটি নাকচ করে দিয়েছেন ট্রাম্প। ওই প্রস্তাবে সামরিক সংঘাত বন্ধ, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরুর কথা বলা হয়েছিল।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির তুলে ধরা প্রস্তাব অনুযায়ী, ওয়াশিংটন বেশ কয়েকটি শর্ত মেনে নিলে সাত দিন পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে রাজি ছিল তেহরান। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, ইরানি তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং লেবাননসহ একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা। বৃহস্পতিবার আরাঘচি জানান, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এই পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো হয়েছিল।
নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যে এ প্রস্তাব আসে। কাতারের মধ্যস্থতায় ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, তিন ঘণ্টার ওই আলোচনায় বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি।
ট্রাম্প ক্রমাগত বলে আসছেন যে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরই এই সংকটের সমাধান হতে পারে। তবে কোনো সমঝোতায় না পৌঁছালে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে নির্বাচনের আগেই একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে জোর দিয়েছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।





