দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, স্থানীয় সময় আজ বেলা তিনটার দিকে প্রথম স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রটি ওনসান এলাকা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে সাগরে গিয়ে পড়ে। এর ঠিক তিন ঘণ্টার মাথায় বেলা ৫টা ৫০ মিনিটে একই এলাকা থেকে দ্বিতীয় স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়, যা ৬০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করে। ক্ষেপণাস্ত্র দুটি হুয়াসং-১১ সিরিজের বলে ধারণা করছে সিউল।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র দুটি জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের (ইইজেড) বাইরে গিয়ে সাগরে পড়েছে। জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, পিয়ংইয়ংয়ের এসব উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য চরম হুমকি।
দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে এর কড়া নিন্দা জানিয়েছে। তবে উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, কোরীয় উপদ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের অব্যাহত যৌথ সামরিক মহড়াই মূল উত্তেজনা বাড়াচ্ছে এবং এর জবাবে পিয়ংইয়ং তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বৃদ্ধি অব্যাহত রাখবে।





