পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সৌদি আরবের পাশে পাকিস্তান কূটনৈতিক ও সরাসরি সামরিক উভয়ভাবেই থাকবে। বিশেষ করে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই স্থান সুরক্ষায় পাকিস্তানি সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং সৌদি নেতৃত্বের চাহিদা অনুযায়ী পাকিস্তান সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেবে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হয়। সেই চুক্তির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এক দেশের ওপর হামলা উভয় দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। এর ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের এপ্রিলে ইরান ও তার মিত্রদের আক্রমণের পর সৌদি আরবের বাদশাহ আবদুল আজিজ বিমানঘাঁটিতে যুদ্ধবিমান ও সামরিক সহায়তা পাঠায় ইসলামাবাদ। তবে বর্তমানে হুতিদের আক্রমণ ঠেকাতে সৌদির তরফ থেকে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর কোনো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ এসেছে কি না, তা স্পষ্ট করা হয়নি।
এদিকে হুতি বিদ্রোহীরা জানিয়েছে, তারা সৌদি আরবের অভ্যন্তরে হামলা অব্যাহত রাখবে। সম্প্রতি মক্কার দিকে ধেয়ে আসা একটি হুতি ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছিল সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট, যদিও হুতি নেতা আবদেল মালিক আল-হুতি এই অভিযোগকে মিথ্যা দাবি করেছেন। অন্যদিকে ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে সাম্প্রতিক সৌদি বিমান হামলায় ৩ শিশুসহ ৫ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হুতি কর্তৃপক্ষ। এর জবাবে সৌদির বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি ও তেল স্থাপনায় আরও বড় ধরনের হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে হুতিরা।





