ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে সৃষ্ট বায়ু দূষণ কমতে শুরু করলেও, বোর্নিও এবং সুমাত্রা দ্বীপে জ্বলতে থাকা তীব্র দাবানলে দূষণের মাত্রা তীব্র হয়েছে। জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা ফায়ার এমিশনস ওয়াচের তথ্য মতে, ৩১ আগস্ট থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার দাবানল থেকে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ ২ কোটি টন। যা বৈশ্বিক মোট নিঃসরণের তিনভাগের এক ভাগ।
বিষাক্ত ধোঁয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় বেড়েছে শ্বাসকষ্টজনিত রোগ। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতটি প্রদেশের ১ কোটি ২৫ লাখ মানুষ। আর শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তের প্রায় ২০ শতাংশই শিশু। দেশটির বায়ুর মান বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। দাবানলে গেল আগস্ট মাসে প্রাণ হারিয়েছে ১৭শ' মানুষ।
ইন্দোনেশিয়ার দাবানলে বিষাক্ত ধোঁয়ায় ছেয়ে গেছে সিঙ্গাপুরের আকাশ। যা দেশটির বায়ুর মানকে অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে নিয়ে গেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে নিম্ন বায়ুমানের অন্যতম কারণ ইন্দোনেশিয়ার দাবানল।
এদিকে, ইকুয়েডরের কুইটো অঞ্চলের তীব্র দাবানলের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে আবাসিক এলাকায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। সরিয়ে নেয়া হয়েছে বহু বাসিন্দাদের। আগুন নেভাতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয়েছে হেলিকপ্টারও।
দাবানলের হাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের বনাঞ্চল রক্ষায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন দমকলকর্মীরা। ক্যালিফোর্নিয়ার উত্তরাঞ্চলের কিছু অংশ খালি করার নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এরইমধ্যে পুড়ে গেছে কয়েক হাজার একর বনভূমি। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে মাত্র ২০ শতাংশ।
এছাড়া, লস অ্যাঞ্জেলেসের গেটি সেন্টারের কাছের পার্বত্য অঞ্চলে একটি দাবানল ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এরইমধ্যে দাবানলের আগুনে পুড়ে গেছে প্রায় ২৫ একর এলাকা।





