বিচার বিভাগ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা ব্যবহারিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে, যার ফলে ইরানের অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বিচার মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র আইআরআইবিকে বলেন, ‘এসব সম্পত্তি মূলত ইরানি জনগণের। বিচার বিভাগ বিষয়টি গভীরভাবে তদারকি করছে যাতে এসব সম্পত্তি ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়া সম্ভব হয়।’
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইলল বা অন্য কোনো ‘শত্রুভাবাপন্ন’ রাষ্ট্র বা সংস্থাকে সহায়তা করার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড এবং সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিধান রেখে গত বছর কঠোর গোয়েন্দাবিরোধী (স্পাইনেজ) আইন পাস করে ইরান।
এ আইনের অধীনে ইসরাইলকে বৈধতা দেয়া থেকে শুরু করে বিদেশি নেটওয়ার্কে ছবি বা তথ্য শেয়ার করার মতো কাজকেও অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।





