জরুরি সেবা বিভাগ জানায়, আজ বৃহস্পতিবার কিয়েভের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি পেট্রোল পাম্প প্রাঙ্গণে ওই হামলা চালানো হয়। এতে স্থানটিতে তীব্র আগুন ধরে যায়, অন্তত একটি গাড়ি ধ্বংস হয় এবং পার্শ্ববর্তী একটি ভবনেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
ইউকরনাফতার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বোহদান কুকুরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ‘এমন হামলার পেছনে কোনো সামরিক লক্ষ্য নেই। এটি সাধারণ জনগণকে ভয় দেখানোর কৌশল।’ গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে কিয়েভ ও এর আশপাশের শিল্প এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করে ক্রমাগত ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে মস্কো।
ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনীর রসদ সরবরাহ বাধাগ্রস্ত করতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রধানত পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তসংলগ্ন এলাকার প্রায় ৩০০টি পেট্রোল পাম্পে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এর আগে গত আগস্টের শেষ দিকে কিয়েভ অঞ্চলের একটি মূল তেল ডিপো ধ্বংস করে দেয় রুশ বাহিনী।
অন্যদিকে ইউক্রেনীয় বাহিনীও ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার ভেতরের তেল শোধনাগার, জ্বালানিবাহী ট্যাংকার ও দখলকৃত অঞ্চলের পেট্রোল পাম্পে পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে। এতে করে ওই অঞ্চলগুলোতেও জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।





