ভিয়েতনাম সরকারের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দুই নেতা সামরিক প্রশিক্ষণ, তরুণ সেনা কর্মকর্তাদের মতবিনিময়, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছেন। একই সঙ্গে অপরাধ দমনে সমন্বয় ও তথ্য আদান-প্রদান জোরদারের বিষয়েও ঐকমত্যে পৌঁছেছেন তারা।
বৈঠকে তো লাম বলেন, 'জাতীয় উন্নয়ন, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং টেকসই অগ্রগতি অর্জনে নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে ভিয়েতনাম প্রস্তুত।' বিবৃতিতে জানানো হয়, এক দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে অন্য দেশের বিরুদ্ধে তৎপরতা চালানোর সুযোগ কাউকে না দেয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে উভয় পক্ষ।
মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মিন অং হ্লাইংয়ের এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক ভিয়েতনাম সফর। উচ্চপর্যায়ের সফরের মাধ্যমে রাজনৈতিক আস্থা জোরদার এবং বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় কাঠামোগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের বিষয়ে উভয় দেশ একমত হয়েছে।
উন্নত প্রযুক্তির কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো খাতে সহযোগিতার সুযোগ চিহ্নিত করে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সম্পর্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি আসিয়ান এবং মেকং উপ-আঞ্চলিক কাঠামোর আওতায় সমন্বয় বাড়ানো এবং দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন দুই নেতা।
এর আগে শুক্রবার উত্তর ভিয়েতনামে ভিনফাস্টের বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরির কারখানা এবং টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান ভিয়েত্তেল পরিদর্শন করেন মিন অং হ্লাইং। এর মধ্য দিয়ে প্রযুক্তি ও শিল্প খাতে ভিয়েতনামের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে মিয়ানমারের আগ্রহ স্পষ্ট হয়।





