গত ৪ আগস্ট ভারতের আকাশসীমায় এয়ারবাস এ৩২০ উড়োজাহাজটিতে এ ঘটনা ঘটে। সে সময় উড়োজাহাজটিতে ১৩৭ জন যাত্রী, ৬ জন কেবিন ক্রু ও ২ জন পাইলট ছিলেন। উড়োজাহাজটি হঠাৎ উচ্চতা হারালে ঝাঁকুনিতে অন্তত ২৪ জন আহত হন।
শুক্রবার প্রকাশিত এএআইবির প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, মাঝআকাশে উড়োজাহাজটির তিনটি হাইড্রোলিক ব্যবস্থাই বিকল হয়ে পড়েছিল। ওই সময় অটো পাইলট বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং দুই সেকেন্ডের জন্য স্টল সতর্কতা সংকেত বেজে ওঠে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘উড়োজাহাজটি উচ্চতাজনিত অস্থিরতার মুখে পড়ে। শুরুতে এটি ৩৭২ ফুট ওপরে ওঠে এবং এরপর ২৯২ ফুট নিচে নেমে যায়।’ তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই হাইড্রোলিক ব্যবস্থা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার পরপরই দুই পাইলটের শরীরে সাইকো-অ্যাকটিভ বা মাদকজাতীয় পদার্থের উপস্থিতি শনাক্তে পরীক্ষা করা হয়। এতে পাইলট ইন কমান্ডের (প্রধান পাইলট) নমুনা পরীক্ষায় ফলাফল ‘নন-নেগেটিভ’ আসে। পরবর্তীতে দুজনের রক্তের নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হলে সেখানেও প্রধান পাইলটের ফলাফল ‘নন-নেগেটিভ’ আসে, তবে কো-পাইলটের ফলাফল নেগেটিভ ছিল। তদন্ত প্রতিবেদনে প্রধান পাইলটের মাদক ব্যবহারের এ বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুতর উদ্বেগের বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়া তাদের পাইলটদের এককালীন মাদক পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এখনও চলছে।
—ইউরো নিউজের প্রতিবেদন অবলম্বনে





