১৯৯৭ সালে প্রকাশিত বইটি এখন পর্যন্ত ৪ কোটি ৪০ লাখের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। অর্থনৈতিক সাফল্যের রহস্য শিখিয়ে তিনি ভাগ্য গড়েছেন। কিয়োসাকি বলেন, আয় তৈরি করে এমন সম্পদ কেনার জন্য ঋণ নেয়াই ধনীদের পদ্ধতি।
তিনি সম্পত্তির মূল্য বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলোর বিপরীতে ঋণ নেন এবং ঋণের টাকাকে করমুক্ত আয় হিসেবে ব্যবহার করেন। এক সম্পত্তি খারাপ হলে অন্যগুলো রক্ষায় প্রতিটি বিনিয়োগ আলাদা এলএলসিতে রাখেন।
গত গ্রীষ্মে ‘গেট রিচ এডুকেশন’ পডকাস্টে কিয়োসাকি বলেন, ‘আমার ঋণ ১২০ কোটি ডলার।’ তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আমি যা করি, তা যেন কেউ না করে। ১৯৭৪ সাল থেকে আমি এটা শিখেছি। ঋণ ব্যবহার করতে হলে আগে শিক্ষা নিতে হবে।’
তার সাবেক স্ত্রী ও ব্যবসায়িক অংশীদার কিম কিয়োসাকি ভ্যানিটি ফেয়ারকে বলেছেন, এই ঋণ প্রায় ১ হাজার ৫০০ অ্যাপার্টমেন্ট ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত, যা অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে রাখা। এতে কিয়োসাকির ব্যক্তিগত দায় নেই। তিনি মনে করেন, স্বামী ইচ্ছাকৃতভাবে বড় অঙ্কটি ব্যবহার করেন মনোযোগ আকর্ষণের জন্য, তারপর ঋণকে বিনিয়োগের কৌশল হিসেবে তুলে ধরেন।
ভ্যানিটি ফেয়ারের হিসাব অনুযায়ী, কিয়োসাকির বার্ষিক আয় যদি সত্যিই ৩০ লাখ ডলার হয়, তাহলে তার প্রকৃত অংশের ঋণ ৩ থেকে ৬ কোটি ডলারের মধ্যে হতে পারে।
—দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে অবলম্বনে





