কিংস অ্যারেনায় প্রধান কোচ থমাস ডুলির অধীনে চলছে রুদ্ধদ্বার অনুশীলন। অতীতের ক্যাম্পগুলোতে অনুশীলন শেষে কোচ কিংবা খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ থাকলেও এবার সেই দরজাও বন্ধ।
দলের অনুশীলনে কোন খেলোয়াড় যোগ দিচ্ছেন, কারা ট্রায়ালে আসছেন এসব তথ্যও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হচ্ছে না।
টিম লিডার ইকবাল হোসেন বলেন, না লুকোচুরি বলবো না ঠিক। দেন প্রতিটা কোচেরই তো একটা স্টাইল থাকে বা ধরন থাকে। আমরা পূর্বেও আসলে সবসময় আপনাদেরকে, আপনাদের যেরকম সহযোগিতা পেয়েছি এবং আমরাও কিন্তু সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। তো আসলে যেহেতু আমি আসলে মাঝখানে কিছুদিন ছিলাম না, আমি আজকেই ফার্স্ট প্র্যাকটিসের মাঠে গিয়েছিলাম। আমি চেষ্টা করব আপনাদেরকে শুক্র-শনিবারে থেকে এটা ফ্রি করে দেয়ার জন্য।
এরইমধ্যে ২৮ জন ফুটবলারকে নিয়ে চলছে অনুশীলন। সবশেষ দলে যোগ দিয়েছেন মিতুল মারমা। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছেন নতুন গোলরক্ষকও। প্রবাসী ফুটবলারদের নিয়েও চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা। অথচ এসব নিয়েও নেই পরিষ্কার কোনো ব্রিফিং।
ক্যাম্পে অবশ্য শুরু থেকেই ছিল নানা সমস্যা। বাস, জার্সি থেকে শুরু করে আইস বাথ সুবিধার ঘাটতি সব মিলিয়ে আলোচনায় ছিল প্রস্তুতি পর্ব।
টিম লিডার ইকবাল হোসেন বলেন, যেহেতু ফার্স্ট সেশন চলতেছে, আসলে একটু হার্ড ট্রেনিং চলতেছে তো। কোচ চাচ্ছে যে নিবিড়ভাবে অনুশীলনটা করুক, প্লেয়াররা একটু নিবিড়ভাবে অনুশীলন করুক। এ কারণে দুই বেলা, সকালে ৯টায়, বিকালে ৪টায় একটু হার্ড ট্রেনিং হচ্ছে। একটা গোলকিপার আসছে আমেরিকা থেকে। অলরেডি প্র্যাকটিসও করছে আজকে, প্র্যাকটিসও করছে। আমার কথা হলো একটা ছেলে আসছে, চাইছে আসছে সে যদি ভালো হয় আমাদের দেশের জন্য ভালো।
কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় এশিয়ান কাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টের আগে এতটা গোপনীয়তা কি দলের প্রস্তুতিকে আড়াল করছে, নাকি প্রতিপক্ষের চোখ এড়াতেই এই কৌশল?





