বার্তা সংস্থা এপি দেখা ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্টে আইএইএর পরিদর্শকেরা সিরিয়ার কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করে যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। এতে দীর্ঘদিন সন্দেহ করা গোপন পরমাণু স্থাপনার অস্তিত্ব নিশ্চিত হয়েছে। আইএইএ জানিয়েছে, সাবেক সিরিয় কর্তৃপক্ষ পরমাণু অস্ত্র বিস্তার নিয়ন্ত্রণ চুক্তির (এনপিটি) অধীনে প্রয়োজনীয় পরমাণু উপাদান, স্থাপনা ও কার্যক্রম রিপোর্ট করতে ব্যর্থ হয়েছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেইর আল-জোরে নির্মাণাধীন একটি পরমাণু চুল্লি, জ্বালানি তৈরির কারখানা এবং জ্বালানি সংরক্ষণের আরেকটি স্থান ছিল আসাদের শাসনামলে। উত্তর কোরিয়ার সহায়তায় এই চুল্লি নির্মাণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। ২০০৭ সালে ইসরাইলের বিমান হামলায় স্থাপনাটি ধ্বংস হওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে সিরিয়া স্থানটি সমতল করে ফেলে এবং আইএইএর প্রশ্নের পূর্ণ জবাব দেয়নি।
আসাদ সরকারের পতনের পর নতুন কর্তৃপক্ষ সন্দেহভাজন পরমাণু স্থাপনাগুলোতে আইএইএর পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার দিয়েছে। ২৯ আগস্ট দেইর আল-জোর স্থানটি পরিদর্শন করে সংস্থা জানায়, সেখানে উন্মোচিত শীতলীকরণ অবকাঠামো পরমাণু চুল্লির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেইর আল-জোর স্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত আরও তিনটি স্থান শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি জ্বালানি তৈরি ও রূপান্তরের সঙ্গে যুক্ত, অন্যগুলো নির্মাণসামগ্রী সংরক্ষণ ও পরিকল্পিত পুনঃপ্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হতো।
আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি ও ঊর্ধ্বতন পরিদর্শক দল সিরিয়ার একটি পূর্বে অঘোষিত স্থানও পরিদর্শন করেছেন। জুলাইয়ে সিরিয়া সংস্থাকে চিঠি দিয়ে এই স্থানের কথা জানায় এবং সহযোগিতার আহ্বান জানায়। সেখানে প্রায় ৭৩ টন প্রাকৃতিক ইউরেনিয়াম ধাতু (জ্বালানি রড আকারে) পাওয়া গেছে। সব উপাদান এখন আইএইএর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
নতুন সিরিয় কর্তৃপক্ষ বেসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচি গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং যেকোনো পরমাণু উপাদান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাব্যবস্থার অধীনে দেশেই থাকবে বলে জানিয়েছে।
 and Syrian Foreign Minister Asaad al-Shibani-768x402.webp)




