আলজেরিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ সায়ুদ জানান, আগুনে পুড়ে অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ছয়জনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তিনি জানান, জিজেল প্রদেশে পাঁচজন, বেজাইয়ায় চারজন এবং তিজি ওউজুতে তিনজন মারা গেছেন।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও উদ্ধার তৎপরতা তদারক করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহামেদ সেদ্দিক আইত মেসাউদেনকে সঙ্গে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বেজাইয়া অঞ্চল পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বেজাইয়া ও জিজেল প্রদেশের বহু ঘরবাড়ি থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দেশটির দমকলকর্মীরা একযোগে ৬৯টি স্থানে ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে পুরো উত্তর আফ্রিকা, যার মারাত্মক প্রভাব পড়েছে আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়ায়। যদিও গ্রীষ্মের মাসগুলোতে আলজেরিয়ায় প্রায়ই বনাঞ্চলে আগুন লাগে, তবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দাবানলের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, আফ্রিকার অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে উত্তর আফ্রিকায় তাপমাত্রা সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বাড়ছে। ১৯৯১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতি দশকে গড়ে শূন্য দশমিক ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস হারে এখানকার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। তীব্র গরম ও পানির সংকটে আলজেরিয়ায় উটের মৃত্যুর হারও বেড়েছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে।





