এই আদেশ এসেছে এমন সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত ওই সমঝোতা চুক্তি আটকে দিয়েছে, যার ফলে খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও তার দুই সহআসামি দোষ স্বীকারের বিনিময়ে মৃত্যু দণ্ড এড়াতে পারতেন। মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে আটকে আছে বিশেষ করে সিআইএর কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় সংগৃহীত প্রমাণ এবং নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে আইনি বিরোধের কারণে।
প্রসিকিউশন চাইছিল ২০২৭ সালের শুরুতে বিচার শুরু হোক। তবে বিচারক বলেন, ওই সময়সীমায় প্রাক-বিচার পর্যায়ের প্রমাণসংক্রান্ত ও নিয়ম-মান্যতা নিশ্চিত করার আবেদনের শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে না। তার আদেশে তিনি লিখেছেন, ‘বাস্তবসম্মত বিচার-তারিখ নির্ধারণে প্রাক-বিচার পর্যায়ে প্রমাণসংক্রান্ত শুনানি এবং নিয়ম-মান্যতা নিশ্চিত করার আবেদনের নিষ্পত্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে।’
খালিদ শেখ মোহাম্মদের সঙ্গে যে তিন আসামির বিচার হবে, তারা হলেন ওয়ালিদ বিন আত্তাশ, মুস্তফা আল-হাওসাওয়ি এবং আলী আবদুল আজিজ আলী।
আদেশ অনুযায়ী, প্রথমে সামরিক সদস্যদের নিয়ে জুরি নির্বাচন হবে। এরপর ৩০ দিন পর শুরু হবে উদ্বোধনী বক্তব্য। প্রসিকিউশন তাদের মামলা শেষ করার ৬০ দিন পর প্রতিরক্ষা পক্ষ নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করবে। বিচার শেষে সাজা নির্ধারণের ধাপ থাকবে।
খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও তার দুই সহআসামি ২০২৪ সালে দোষ স্বীকারের বিনিময়ে মৃত্যু দণ্ড এড়াতে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন। তবে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন কয়েক দিনের মধ্যেই সেই চুক্তি বাতিল করে দেন। পরে গত মাসে আপিল আদালত অস্টিনের ওই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে।
খালিদ শেখ মোহাম্মদকে ২০০৩ সালের মার্চে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী আটক করে। তিনি ২০০৬ সালে গুয়ান্তানামো বে কারাগারে নেয়ার আগে তিন বছর সিআইএর গোপন কারাগারেও ছিলেন।





