ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর নিখোঁজদের অনুসন্ধানসংক্রান্ত কমিটির প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরজাদেহ বলেন, পাইলটদের ভাসমান অবস্থায় যেখানে রাখা হয়েছে, সেই স্থানটি চিকিৎসাসেবার জন্য অনুপযোগী। তিনি জানান, কাতার ইরানি বিশেষজ্ঞদের একটি দল গ্রহণ করতে সম্মত হওয়ায় তেহরান সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে এবং এ বিষয়ে দোহার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে। এর আগে বাঘেরজাদেহ অভিযোগ করেছিলেন, বিমানবাহিনীর একদল তথ্য অনুসন্ধানকারী বিশেষজ্ঞ গত কয়েক মাস ধরে কাতার যাওয়ার অপেক্ষায় থাকলেও দোহার কর্মকর্তাদের কারণে এ তদন্ত বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে।
তবে গত সপ্তাহে কাতার ইরানি পাইলটদের আটকে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, চলতি বছরের শুরুর দিকে একটি বিমান কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছিল এবং বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাতে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দোহার পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা নিহত এক পাইলটের মরদেহ হস্তান্তরের বিষয়ে সমন্বয়ের জন্য তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং তাদের অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানের তথ্য পর্যালোচনার জন্য ইরানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
গত মঙ্গলবার কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, পাইলট ইস্যুতে একটি ইরানি প্রতিনিধিদলের সফরের জন্য দোহার আমন্ত্রণ এখনো কার্যকর রয়েছে।





