ওয়াশিংটনে থাকা কানাডার বাণিজ্য প্রতিনিধিদের অটোয়ায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে মার্ক কার্নি এক বিবৃতিতে জানান, যুক্তরাষ্ট্র শেষ মুহূর্তে অন্যায্য ও অযৌক্তিক কিছু শর্ত চাপিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এ শুল্কের সমপরিমাণ পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে কানাডা।’
নতুন এ শুল্কের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে কানাডার মোট রপ্তানির প্রায় ৫ শতাংশ পণ্য প্রভাবের মুখে পড়লো। এর মধ্যে রয়েছে কাঠের তৈরি হকি স্টিক, আসবাব, দুগ্ধজাত পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জ্যামিসন গ্রিয়ার এক ব্রিফিংয়ে বলেন, সপ্তাহজুড়ে যেসব শর্তে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছিল, শেষ মুহূর্তে এসে কানাডা সেই চুক্তি চূড়ান্ত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এটি কানাডার জন্য একটি হাতছাড়া হওয়া সুযোগ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, গাড়ি ও কাঠ খাতে কানাডা অতিরিক্ত ছাড় দাবি করায় আলোচনা থমকে যায়। আপাতত দুই দেশের মধ্যে নতুন কোনো আলোচনার দিনক্ষণ ঠিক হয়নি।
মার্কিন চাপের মুখে নতিস্বীকার না করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত বছর নির্বাচিত হন সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধান মার্ক কার্নি। সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে দেখা গেছে, কানাডার বেশির ভাগ নাগরিক ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে কোনো ধরনের ছাড় দেয়ার বিপক্ষে।





