মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানো, হামলা, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধের মতো কর্মকাণ্ড ভিসা বাতিলের অন্যতম কারণ। ধারাবাহিক যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ভিসাধারীরা যাতে ভিসার শর্ত মেনে চলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ঝুঁকি তৈরি না করেন, তা নিশ্চিত করাই এ যাচাই-বাছাইয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন দমন অভিযান আরও জোরদার হয়। এর অংশ হিসেবে বৈধ ভিসাধারীসহ বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিককে দেশ থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের জন্য হুমকি তৈরি করতে পারেন—এমন বিদেশি নাগরিকদের শনাক্ত ও তদন্তের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উত্তর আফ্রিকার একটি মার্কিন দূতাবাস ‘বার্থ ট্যুরিজম’র সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শতাধিক দম্পতির ভিসা বাতিল করেছে। এসব দম্পতি সন্তান জন্ম দেয়ার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, যাতে তাদের সন্তান জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পায়।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্পষ্ট করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা কোনো অধিকার নয়, এটি একটি বিশেষ সুবিধা। কেউ এই সুবিধার অপব্যবহার করলে তার ভিসা বাতিলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এর আগে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছিল, এক লাখের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে। সে সময়ের সংখ্যাটি ছিল রেকর্ড। নতুন তথ্য অনুযায়ী, ভিসা বাতিলের সংখ্যা এখন ১ লাখ ৭৫ হাজারে পৌঁছেছে।




 party chief Jordan Bardella-320x167.webp)
