মধ্য গগনে যেন উনুনের আগুনের মতো জ্বলছে সূর্য। তাপমাত্রার অব্যাহত দাপট থেকে কিছুটা স্বস্তির আশায় সুইমিং পুল, কুলিং ফ্যান কিংবা সবুজে ঘেরা পার্কে ভিড় করছেন নানা বয়সের মানুষ।
বেশ কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রার দাপট দেখছে দক্ষিণ কোরিয়া। রোববার দেশটির দক্ষিণ পূর্বের শহর ইয়াংসানে ১২২ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। কয়েকটি অঞ্চলে জারি রয়েছে সর্বোচ্চ তাপ সতর্কতা।
স্থানীয়রা জানান, ছাতা ছাড়া ঘরের বাইরে বের হওয়া একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়েছে। হয়তো জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে খারাপ প্রভাব আমরা মোকাবিলা করছি। ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় আমরা অভ্যস্ত নই। কিন্তু এখন ঘন ঘন তাপপ্রবাহের সাক্ষী হচ্ছি।
তাপপ্রবাহজনিত কারণে মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় নাগরিকদের সতর্ক ও কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডন্ট লি জে মিয়ং।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বলেন, যেহেতু ঘন ঘন তাপপ্রবাহের সাক্ষী হচ্ছে দেশ তাই জাতীয় সংকট ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কারে উদ্যোগ নিতে হবে। এছাড়াও দেশবাসীকে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করার এটাই উপযুক্ত সময়।
হিটওয়েভের আগুনে পুড়ছে উত্তর কোরিয়াও। চলমান তাপপ্রবাহ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর। অসহনীয় গরম থেকে বাঁচতে পিংয়ংইয়ংয়ের ওয়াটার পার্কগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন নানা বয়সের মানুষ।
হিটওয়েভ যেন নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে ইতালির জনজীবনে। ৪০ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই তাপমাত্রায় বেকাদায় দেশটিতে ভ্রমণে আসা পর্যটকরা। ২৫টি শহরে জারি করা হয়েছে রেড এলার্ট।
দুই দিন আগে রোমে এসেছি। এতোটা গরম হবে আশা করিনি। তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচতে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করছি। এদিকে, অনাবৃষ্টির কারণে সৃষ্ট খরায় নদ- নদীর পানির স্তর নেমে এসেছে।





