গতকাল (বুধবার, ৩০ জুলাই) দেশটির চেন্নাহ আসনের স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এ অগ্রগতি এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার এখন মালয়েশিয়া থেকে পাঁচ হাজার এবং বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে। আগে তারা নিজেদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে রাজি ছিল না। আমাদের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণেই এ সমঝোতা সম্ভব হয়েছে।’
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে কূটনৈতিক সংলাপই সবচেয়ে কার্যকর পথ। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং মিয়ানমারের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া এ সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।’
তবে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের দেশটির আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, ‘জনসাধারণের চলাচলে বাধা, ব্যবসা-বাণিজ্যে বিঘ্ন সৃষ্টি বা সড়ক অবরোধের মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।’
বর্তমানে মালয়েশিয়ায় প্রায় দুই লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থী বসবাস করছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৯ লাখ রোহিঙ্গা নিজ দেশ থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রহীন জীবনযাপন করছেন।
তবে আনোয়ার ইব্রাহিমের এ দাবির বিষয়ে মিয়ানমার সরকার বা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।





