তাদের অভিযোগ, পাঞ্জাবের ভূখণ্ডের ভেতরে ব্যারিকেড বসিয়েছে হারিয়ানার পুলিশ। অথচ এই বেআইনি কর্মকাণ্ডের কোনো প্রতিবাদ না করে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে পাঞ্জাব সরকার। তবে পাঞ্জাবের পদযাত্রায় বাধা দিলেও আম্বালা, কুরুক্ষেত্র এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোসহ হরিয়ানার কৃষকেরা দিল্লির দিকে তাদের যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন। সমাবেশ করার গণতান্ত্রিক অধিকার দমনের সরকারকে দায়ী করেন কৃষকরা।
এই ঘটনা ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে কৃষকদের দিল্লি চলো আন্দোলনেরই পুনরাবৃত্তি। সে সময় কৃষকদের পদযাত্রা ঠেকাতে কংক্রিটের ব্লক, লোহার কাঁটাতার ও কয়েক স্তরের ব্যারিকেড দিয়ে সীমান্তকে দুর্গে পরিণত করা হয়েছিল।





