আজ (রোববার, ১২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক দীর্ঘ পোস্টে জেলেনস্কি বলেন, ‘ইউক্রেন তার রাজনৈতিক কৌশল পরিবর্তন করছে। পররাষ্ট্রনীতির প্রতিটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দিক এখন থেকে এমন একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি তদারকি করবেন, যিনি বিশ্বনেতাদের পর্যায়ে হওয়া চুক্তিগুলো বাস্তবায়নে এবং ইউক্রেনের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম।’
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সভিরিদেঙ্কোর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার পর তারা একমত হয়েছেন যে, এসব পরিবর্তন বাস্তবায়নে মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ আনা প্রয়োজন।
৩৯ বছর বয়সী সভিরিদেঙ্কো এক বছর আগে ডেনিস শমিহালের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। এর আগে তিনি উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থনীতি মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছর ওয়াশিংটন ও কিইভের মধ্যে খনিজ সম্পদসংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিতে মধ্যস্থতা করে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে ইউক্রেনের সম্পর্কের বরফ গলাতে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।
আরও পড়ুন:
এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে সভিরিদেঙ্কো লিখেছেন, ‘ইউক্রেনের আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম কঠিন সময়ে সরকারের নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ পেয়ে আমি গর্বিত। ইউক্রেনীয় ভূমি রক্ষায় নিয়োজিত প্রতিটি নারী ও পুরুষকে আমি ধন্যবাদ জানাই।’
জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তার নতুন রাজনৈতিক কৌশলের মূলে থাকবে কয়েকটি মূল বিষয়। এর মধ্যে রয়েছে লাইসেন্সের অধীনে প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির চুক্তি বাস্তবায়ন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ পাওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করা। উপসাগরীয় অঞ্চলকে তিনি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য বিশ্বের অন্যতম ‘প্রতিশ্রুতিশীল’ এলাকা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী সভিরিদেঙ্কো একটি ‘নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের’ সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কাজে নেতৃত্ব দেবেন বলে জানিয়েছেন জেলেনস্কি।





