ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ন্যাটো মহাসচিব বলেন, ‘একে একে সব মিত্র দেশ মার্কিন অভিযানে তাদের ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দিয়েছে। ইতালির ঘাঁটিগুলো থেকে ৫০০ মার্কিন বিমান উড্ডয়ন করেছে, যা বিশাল এক সমর্থন।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইউরোপের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার বিমান এই যুদ্ধে অংশ নিয়েছে।
ন্যাটো প্রধানের এই মন্তব্যের পর নিজ দেশে রাজনৈতিক বিরোধীদের তোপের মুখে পড়েছেন মেলোনি। বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, প্রধানমন্ত্রী জনগণের কাছে যুদ্ধের তথ্য গোপন করেছেন। তবে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ফ্রান্সে আয়োজিত এক সম্মেলনে মেলোনি এই দাবিকে ‘অত্যন্ত সরলীকরণ’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইতালির ঘাঁটিগুলো কেবল লজিস্টিক বা রসদ সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, সরাসরি যুদ্ধের জন্য নয়। মেলোনি বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে সংঘুদ্ধে অংশ নিইনি। যদি নিতাম, তবে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প বারবার আমাদের ওপর কেন অসন্তোষ প্রকাশ করতেন?’
এদিকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের রেজোলিউশন ৩৩০৪ অনুযায়ী কোনো দেশ যদি তৃতীয় কোনো পক্ষকে অন্য দেশের ওপর হামলার জন্য নিজ ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেয়, তবে তা সরাসরি ‘আগ্রাসন’ হিসেবে গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি জি-৭ সম্মেলনের সাইডলাইনে ট্রাম্পের সঙ্গে ছবি তোলা নিয়ে মেলোনির মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। ট্রাম্প দাবি করেন মেলোনি তার সঙ্গে ছবির জন্য ‘মিনতি’ করেছিলেন। এর জবাবে মেলোনি ট্রাম্পের আচরণকে ‘হতাশাজনক’ বলে অভিহিত করেন। এই টানাপোড়েনের জেরে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার নির্ধারিত ওয়াশিংটন সফরও বাতিল করেছেন।





