তীব্র দাবদাহে পুড়ছে যুক্তরাজ্য। এরইমধ্যে ১৯৭৬ সালের জুন মাসে হওয়া তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। ৩৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গিয়ে ঠেকেছে তাপমাত্রার পারদ। গরমে হাঁসফাঁস করছে সব বয়সী মানুষ।
অতিরিক্ত তাপমাত্রায় ক্রমেই বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি। বলতে গেলে, তীব্র তাপপ্রবাহের সঙ্গে রীতিমতো লড়াই করছেন ব্রিটেনবাসী। গরম থেকে রক্ষায় হিমশিমতো খাচ্ছেই; দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বহু মানুষ। স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব। বিপাকে পড়েছেন পর্যটকরা।
পর্যটকরা জানান, লন্ডনে যাতায়াত করাটা আমার কাছে কঠিন লাগছে। কারণ আমি যেসব ট্রেনে যাতায়াত করি সেগুলো সবসময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত থাকে না। আমার জন্য একটু বেশিই গরম মনে হচ্ছে। আমি ইতালি থেকে এসেছি, এমন আবহাওয়ায় আমি তেমন অভ্যস্ত নই।
এ অবস্থায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ পণ্যের দোকানগুলোয় ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। ভ্রমণের সময়ও গরম থেকে বাঁচতে ব্যাটারিচালিত ছোট ফ্যান কেনার হিড়িক পড়েছে। এই সুযোগে এসব পণ্যের দোকানগুলোয় ব্যবসাও বেশ চাঙা। বিক্রি বেড়েছে ৫০ শতাংশ। অনেক দোকানে ফ্যানের স্টক ফুরিয়ে গেছে।
ব্যবসায়ীরা বলেন, তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে গেলে, স্বাভাবিকভাবেই ফ্যান এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ পণ্যের পণ্যের বিক্রি বেড়ে যায়। এই সপ্তাহে এসব পণ্যের বিক্রি ৫০% বেড়েছে।
ব্রিটেনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও তীব্র তাপপ্রবাহের সঙ্গে লড়াই করছে। গরম থেকে রক্ষায় শিশুদের সঙ্গে পানি নিয়ে খেলায় মেতেছেন স্বয়ং শিক্ষাগুরুরা। আনন্দে মেতে ওঠার মধ্য দিয়ে একটু শীতলতার স্পর্শ নিচ্ছেন সবাই। অতিরিক্ত তাপমাত্রা থেকে শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি পড়া-লেখায় মনোযোগ ধরে রাখার চেষ্টায় এই উদ্যোগ বলে জানায় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



