বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এ পর্যন্ত ৯ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। এছাড়া আরও দুজন সন্দেহভাজন রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে; যাদের মধ্যে একজন পরীক্ষার আগেই মারা গেছেন। অন্যজন দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের প্রত্যন্ত দ্বীপ ট্রিস্টান দা কুনহার বাসিন্দা, যেখানে পরীক্ষার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই।
মাদ্রিদে এক সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস বলেন, ‘সব সন্দেহভাজন রোগীকে আইসোলেশনে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে যাতে সংক্রমণ আর না ছড়ায়।’ তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত বড় ধরনের প্রাদুর্ভাবের কোনো লক্ষণ দেখা না দিলেও ভাইরাসের দীর্ঘ সুপ্তিকালের কারণে আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও রোগী শনাক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে স্পেনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মাদ্রিদের একটি সামরিক হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে থাকা ১৪ জনের মধ্যে এক স্প্যানিশ নাগরিকের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তার জ্বর ও শ্বাসকষ্ট থাকলেও শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
আক্রান্তদের মধ্যে এক ফরাসি নাগরিকও রয়েছেন, যিনি বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। অন্যদিকে, প্রাদুর্ভাবের উৎসস্থল ‘হন্ডিয়াস’ জাহাজ থেকে ১৮ জন যাত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে নিয়ে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে পর্যাপ্ত তহবিল ও সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান জানিয়েছেন।




