বৈরুতের সমুদ্রতীরবর্তী কর্নিশ। যেখানে এক সময় পর্যটকদের ভিড় থাকত, সেখানে এখন শুধুই অনিশ্চয়তার ছাপ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, গেল কয়েক দশকের মধ্যে লেবানন ও ইসরাইলি নেতাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা এটাই প্রথম। শুরু থেকেই এই আলোচনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে কাজ করছে ভিন্ন ভিন্ন আবেগ।
আমরা অবশ্যই আলোচনা চাই, দেশের ব্যাপারে বলতে গেলে, আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী, অবশ্যই সমাধান হবে এবং আমরা সুস্থ, নিরাপদ ও স্বাধীনভাবে বসবাস করব।
আরও পড়ুন:
তার মতো অনেকে শান্তির স্বপ্ন দেখলেও, শহরের অন্য প্রান্তে চিত্রটা ভিন্ন। বৈরুতের অলিগলিতে অস্থায়ী তাঁবুতে দিন কাটছে হাজারো বাস্তুচ্যুত পরিবারের। গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে শুরু হওয়া ইসরাইলি অভিযানে তারা ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। এই ধ্বংসলীলা ভুলে আলোচনা মেনে নেওয়া অনেকের কাছেই অসম্ভব।
আলোচনা যদি সরাসরি শত্রুর সাথে হয়, তাহলে অবশ্যই না। তারা এতকিছু করার পর আমি কেন তা মেনে নেব? কেন তাদের সাথে বসব? অবশ্যই না। যদি তাদের সাথে কথা বলার অন্য কোনো উপায় থাকে, ঠিক আছে, কিন্তু সরাসরি নয়।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের যুদ্ধ থেকেই লেবানন সংঘাতের সূত্রপাত। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা করছে পাকিস্তান। তাদের মতে, ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ থামাতে লেবাননে শান্তি স্থাপন এখন অপরিহার্য।





