তিনি ১৯৬৪ সালে বিবিসিতে চাকরি নেন। ১৯৬৫ সালে ভারতের দিল্লিতে দায়িত্ব নিয়ে আসেন। বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে মূলত খবর সংগ্রহ করেছেন তিনি।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের খবর সংগ্রহ করতে তিনি একাত্তরের এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে এসেছিলেন বলে বিবিসি বাংলার এক খবরে বলা হয়েছে। সেই প্রথম এবং শেষবারের মতো পাকিস্তানি সরকার দুইজন সাংবাদিককে বাংলাদেশে আসার অনুমতি দিয়েছিলো। ১৯৭১ সালের সেই সফরে তিনি ঢাকা থেকে সড়ক পথে রাজশাহী গিয়েছিলেন।
মার্ক টালি বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যখন সীমান্ত এলাকা পর্যন্ত পৌঁছালো এবং তারা মনে করলো যে পরিস্থিতির উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ আছে। তখনই তারা আমাদের আসার অনুমতি দিয়েছিলো। আমার সাথে তখন ছিলেন ব্রিটেনের টেলিগ্রাফ পত্রিকার যুদ্ধ বিষয়ক সংবাদদাতা ক্লেয়ার হলিংওয়ার্থ।’
তিনি বলেছিলেন, ‘আমরা যেহেতু স্বাধীনভাবে ঘুরে বেরিয়ে পরিস্থিতি দেখার সুযোগ পেয়েছি সেজন্য আমাদের সংবাদের বিশেষ গুরুত্ব ছিল। আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ হয়েছে। আমি ঢাকা থেকে রাজশাহী যাবার পথে সড়কের দু’পাশে দেখেছিলাম যে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে।’
মার্ক টালিকে ২০১২ সালে ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ দিয়েছে বাংলাদেশ। বিবিসি থেকে অবসরে যাওয়ার পরে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন তিনি।





