এর আগে গুগল বিভিন্ন সময়ে এ কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলেও, নতুন এ উদ্যোগটি এসেছে গুগল ও ব্রডকমের সঙ্গে অ্যানথ্রোপিকের একটি যৌথ চুক্তির পর। এ চুক্তির আওতায় অ্যানথ্রোপিক ‘মাল্টি-গিগাওয়াট’ ক্ষমতাসম্পন্ন পরবর্তী প্রজন্মের টিপিইউ ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
অ্যানথ্রোপিকের বর্তমান মূল্যায়ন অনুযায়ী গুগল এখনই ১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। এছাড়া, নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারলে আরও ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
২০২৭ সালের মধ্যে গুগল অ্যানথ্রোপিককে ৫ গিগাওয়াট কম্পিউটিং ক্ষমতা প্রদান করবে। বিনিময়ে অ্যানথ্রোপিক গুগলের টিপিইউ (টেনসর প্রসেসিং ইউনিটস) এবং সার্ভার ব্যবহার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
গুগলের এ চুক্তির ধরন অনেকটা অ্যামাজনের সঙ্গে অ্যানথ্রোপিকের সাম্প্রতিক চুক্তির মতোই। চলতি এপ্রিলের শুরুতে অ্যামাজন ঘোষণা করেছিল যে, তারা অ্যানথ্রোপিকে ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে এবং লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ভিত্তিতে আরও ২০ বিলিয়ন ডলার প্রদানের সুযোগ থাকবে। বিনিময়ে অ্যানথ্রোপিক অ্যামাজনের ‘ট্রেনিয়াম’ চিপ ব্যবহারের সম্মতি জানায়।
এ বিনিয়োগগুলো অ্যানথ্রোপিকের বিপুল অর্থ ব্যয়ের সক্ষমতাকে আবারও সামনে এনেছে—উল্লেখ্য যে, কোম্পানিটি তাদের সাম্প্রতিক ফান্ডিং রাউন্ডেই ৩০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে। এ ঘটনাটি এআই শিল্পের বর্তমান ‘সার্কুলার ডিল’ বা বৃত্তাকার লেনদেনের একটি বড় উদাহরণ।
এখানে অ্যানথ্রোপিক গুগল ও অ্যামাজনের চিপ এবং সার্ভার ব্যবহার করতে রাজি হচ্ছে, আবার তাদের কাছ থেকেই বিনিয়োগ নিচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, বিনিয়োগের এ অর্থের একটি বড় অংশ তারা আবারও সে চিপ ও সার্ভারের পেছনেই ব্যয় করবে।





