মেটা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে, হোয়াটসঅ্যাপে ‘এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন’ ব্যবহৃত হয়, ফলে কেবল মেসেজের প্রেরক ও গ্রাহকই মেসেজের কনটেন্ট পড়তে পারেন। তবে বাদীপক্ষের অভিযোগ, মেটা ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের মেসেজ সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং এতে প্রবেশাধিকার রাখে।
আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ভারত, মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যবহারকারীরাও এ মামলায় বাদী হয়েছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মেটা মামলাটিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উল্লেখ করেছে। তারা জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ এক দশক ধরে সিগন্যাল প্রোটোকলের এনক্রিপশন ব্যবহার করে আসছে।




