অ্যাপল এ বিষয়ে ওপেনএআই ও অ্যানথ্রোপিকসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে পরবর্তীতে গুগলকেই নিজেদের ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সিরির জন্য বেছে নেয় প্রতিষ্ঠানটি।
অ্যাপল নিশ্চিত করেছে, গুগলের সঙ্গে নতুন এ চুক্তির পরও তাদের ব্যবহারকারীরা গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা অক্ষুণ্ন থাকবে। এছাড়া এআই প্রসেসিং করা হবে অ্যাপলের নিজেদের ডিভাইসে এবং ‘প্রাইভেট ক্লাউড কম্পিউট’ ব্যবহার করা হবে। ফলে ব্যবহারকারীর তথ্য গুগলের কাছে যাবে না, বরং প্রয়োজন হলে অনুমতির ভিত্তিতে তথ্য আদান–প্রদান করা হবে।
আরও পড়ুন:
বিশ্লেষকদের মতে, সম্প্রতি অ্যাপল এআই সেক্টরে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে না পারায় বেশ চাপে পড়েছিল। এ চুক্তির ফলে অ্যাপল নিজেদের এআই মডেল তৈরির সিদ্ধান্ত থেকে কিছুটা সরে এসেছে কোম্পানিটি। এখন তারা অ্যাপল প্রোডাক্টে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা ও পরিষেবার মান উন্নয়নে মনোযোগ দিয়েছে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আইফোনে জেমিনি যুক্ত হওয়ায় গুগলের এআই মডেলও বাজারে গ্রহণযোগ্যতা পাবে বলে মন্তব্য করেছে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা। তবে ভবিষ্যতে এ চুক্তি মার্কিন প্রতিযোগিতা আইন ও একচেটিয়া ব্যবসা সংক্রান্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন তারা।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



