পাবনা জেলায় একমাত্র ২০শয্যার বক্ষব্যাধি হাসপাতাল। হঠাৎ করেই বাড়তে শুরু করেছে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা। চলতি বছরের আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর এক মাসে জেলার ৯টি উপজেলা থেকে বিভিন্ন বয়সী ৩০জন যক্ষ্মা রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ৯জন, যাদের বেশিরভাগই বয়স্ক রোগী।
সময়মতো রোগ শনাক্ত এবং নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে দীর্ঘদিনের কাশি অবহেলা করা এবং রোগ সম্পর্কে সচেতনতার অভাব যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হাসপাতালটিতে ৫ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও বর্তমানে আছেন মাত্র ২জন। সুইপার, নার্স ও ওয়ার্ডবয়সহ প্রায় সব পদেই রয়েছে দুই-তৃতীয়াংশ জনবল ঘাটতি। এছাড়া টেকনিশিয়ানের অভাবে চালু করা যাচ্ছে না এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাম ও ইসিজি মেশিন। শুধু কফ ছাড়া প্যাথলজিক্যাল কোন পরীক্ষার সুযোগ নেই হাসপাতালটিতে। এতে রোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন চিকিৎসাসেবা থেকে।
আরও পড়ুন:
রোগীরা জানান, হাসপাতাল থেকে কিছু ওষুধ দেয়া হচ্ছে। আর কিছু ওষুধ তারা বাহিরে থেকে কিনে আনছেন। রক্ত পরীক্ষাগুলো বাহিরে থেকে করছেন তারা। সব সুবিধা হাসপাতালে দিলে তাদের ভোগান্তি কম হতো বলে জানান তারা।
যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা আরো বাড়লে, হাসপাতালে জনবল সংকটের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
পাবনা বক্ষব্যাধি হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. মকলেছুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে জনবল সংকট অনেক আগে থেকেই ছিলো। এখনো রয়েছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলছে রিপ্লেস করা হবে।’
পাবনা ২০শয্যা বক্ষব্যাধি হাসপাতাল প্রতিদিন গড়ে ১শ' থেকে ১২০ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে।





