ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিথ্রিইআর, ল্যান্ড আওয়ার ফিউচার নেপাল, ক্যাপস, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ এবং মিশন গ্রিন বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এই মেগা ইভেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে। সহযোগী আয়োজক হিসেবে আছে, ওক্রিডস লিমিটেড, সাসটেইনেবল রিসার্চ অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড, কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়, ক্লিন এনার্জি নেপাল, গ্লোবাল ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ রিসার্চ সোসাইটি।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এবারের ক্যাম্পটি শিক্ষা এবং রোমাঞ্চের এক অনন্য সংমিশ্রণ হতে যাচ্ছে। এর উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো:
অ্যাকাডেমিক কনফারেন্স: পোখরা বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু উদ্ভাবন ও নীতি নির্ধারণী বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের প্যানেল আলোচনা।
মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম: সরাসরি স্থানীয় জনপদ পরিদর্শন এবং জলবায়ু অভিযোজন সংক্রান্ত পলিসি ডায়ালগ।
রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা: অন্নপূর্ণা রেঞ্জের সারানকোট থেকে সূর্যোদয় দেখা, ফেওয়া লেকে নৌকা ভ্রমণ, কেবল কার রাইড এবং ত্রিশূলী নদীর অ্যাডভেঞ্চার জোনে সময় কাটানো।
নেটওয়ার্কিং: বিশ্বের ১০০ এর বেশি শীর্ষস্থানীয় গবেষক ও চেঞ্জমেকারদের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কাজ করার সুযোগ।
রেজিস্ট্রেশন ও খরচের বিবরণ
আগ্রহী অংশগ্রহণকারীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আর্লি বার্ড অফার: ৩০ এপ্রিল ২০২৬-এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করলে ফি ২৫০ মার্কিন ডলার। রেগুলার ফি: ৩০ এপ্রিলের পর ফি নির্ধারিত হয়েছে ৩০০ মার্কিন ডলার। এই রেজিস্ট্রেশন ফির আওতায় ৫ দিনের আবাসন, খাবার, স্থানীয় পরিবহন, কনফারেন্স লজিস্টিকস এবং শিক্ষা সফরের যাবতীয় খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে আন্তর্জাতিক বিমান ভাড়া অংশগ্রহণকারীকে বহন করতে হবে।
আয়োজকরা জানান, গত বছর নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. বাবুরাম ভট্টারায়সহ নেপাল, বাংলাদেশ, চীনসহ বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, গবেষক, সচিব, শিক্ষক, পরিবেশকর্মী, অ্যাক্টিভিস্টরা এই আয়োজনে যোগ দেন। প্রথম ক্যাম্পের বিশাল সাফল্যের পর এবার আরও বড় পরিসরে আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হবে। আগ্রহীরা ক্যাম্পের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করে বিস্তারিত জানতে পারবেন।


 founder Abhijeet Dipke-320x167.webp)


