গতকাল (বুধবার, ২৮ জানুয়ারি) মধ্যরাতে বিক্ষোভে উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। শেরপুরে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে হত্যার বিচার ও নির্বাচনি গণসংযোগে নারী কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর থেকে মিছিলের করেন ডাকসু নেতারা।
এসময় হত্যাকাণ্ডের বিচার, সহিংসতা বন্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা। হল পাড়া বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে রাজু ভাস্কর্যে শেষ হয় বিক্ষোভটি। ডাকসু নেতারা অভিযোগ করেন, নির্বাচন বানচাল করতেই এমন হত্যাকাণ্ডের আশ্রয় নিচ্ছে বিএনপি।
আরও পড়ুন:
হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে নতুন করে ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ। আর ভিপি সাদিক কয়েম অভিযোগ করেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়েই হত্যার পথ বেছে নিয়েছে বিএনপি।
ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড এখানেই থামে নাই। আমরা দেখেছিলাম সেই ১৪ জুলাই ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা ছাত্রীদের ওপর হামলা করেছিলো। বিএনপির সন্ত্রাসীরা গ্রামে গ্রামে মায়েদের ওপর হামলা করছে।’
ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘এই বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যাওয়ার আগেই তারা পরাজয় মেনে নিয়েছে। আমরা চাই আপনারা আগে থেকেই পরাজয় বরণ করার দরকার নেই। আপনার দলকে আপনি সংস্কার করেন। জুলাই বিপ্লব ও শহিদদের আকাঙ্ক্ষা সেটাকে ধারণ করেন। সন্ত্রাসী ও নারী হেনস্তাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসেন।’
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যা ও সারাদেশে নারী হেনস্তাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান ডাকসু নেতারা।
এদিকে একই দাবিতে বুধবার মধ্যরাতে বিক্ষোভ হয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও। এমন হত্যাকাণ্ড ঘটতে থাকলে নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কথা জানান শিক্ষার্থীরা।





